বালু

বালুর প্রকারভেদ

দেশীয় বাজারে বিভিন্ন ধরণের বালু বাজারে পাওয়া যায়। এটি নিশ্চিত যে নির্মাণ কাজে সব ধরনের বালু ব্যবহার করা যায়না। এখানে আমরা ভালমানের কিছু মূলধারার বালির সম্পর্কে বর্ণনা করার চেষ্টা করছি। আমাদের দেশে নির্মানকাজে সাধারণত দুই ধরনের বালু সবচায়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

১. ভিটি বালু

২. আস্তর বালু

কোন বালু কি কাজে লাগে

ভিটি বালু

এই বালিটি প্রধানত ব্যাবহার করা হয় বাড়ির গ্রেড বীম এবং ফাউন্ডেশন এর ফিলিং এর কাজে। প্রায় প্রতিটি বাড়িই কিছুনা কিছু উ্চু করা হয়। এই উচু করার কাজে এই ভিটি বালু ব্যাবহার করা হয়। এগুলো প্রতি গাড়ি হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে। চেস্টা করবেন ছোট গাড়িতে না নেয়ার জন্য। বড় ট্রাক ব্যাবহার করুন। এতে বেশ ভালোই আর্থিক সাশ্রয় হবে।

আস্তর বালু

আস্তর বালু নদীর উপকূলে পাওয়া যায়। যা চিকন ও গোলাকার হয়ে থাকে। এটা পিট বালি অপেক্ষা সূক্ষ্ম তাই প্লাষ্টারিং এর কাজ এই বালি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আস্তর বালু লোকাল মার্কেটে পাওয়া যায়, তবে এটি কেনার আগে কোয়ালিটি সম্পর্কে নিশ্চিৎ হয়ে নিন। এক্সপার্ট কাউকে দিয়ে বালিটি একবার পরিক্ষা করিয়ে নিন যে এটি আসলেই আস্তর এর কাজের জন্য।

কোন ধরণের বালু নির্মানকাজের জন্য উপযোগী

দেশীয় বাজারে বিভিন্ন ধরণের বালু পাওয়া যায়। এটি নিশ্চিত যে নির্মাণ কাজে সব ধরনের বালু ব্যবহার করা যায়না। যে সকল বালুতে লবন থাকে সে সকল বালু নির্মান কাজে ব্যবহারের জন্য অনুপযোগী। বালু হচ্ছে সম্পূর্ন প্রাকৃতিক উপাদান। বিভিন্ন আকারের বালু পাওয়া যায় নির্মানকাজে ব্যবহারের জন্য। ইঞ্জিনিয়াররা সাধারণত যে বালুর ফাইননেস ভালো সে বালু ব্যবহারের জন্য বলে থাকেন।

নির্মানকাজে বালু ব্যবহারের আগে যা করনীয়

১. নির্মানকাজে ব্যবহারের আগে বালু ছেকে নিন, এতে করে বালুতে থাকা অপ্রয়োজনীয় পদার্থ ফেলে দেয়া যায়।

২. বালুর সাথে লেগে থাকা বাড়তি ধূলা ফেলে দিতে হবে, এতে বালুর কার্যকারিতা বাড়বে।

৩. ব্যবহারের আগে বালুকে ধুয়ে নিতে পারেন, এতে করে বালিতে থাকা ময়লা নিচে চলে যাবে। তারপর তা ব্যবহারে ভাল ফল পাওয়া যাবে।